সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবৈধভাবে ব্যাটারী চালিত থ্রি-হুইলার, ট্রাক ও বাসসহ বিভিন্ন পরিবহনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৪১ দিনে ৫৭১ টি পরিবহন আটক করে মামলা ও জরিমানা করে সাড়ে ১২ লক্ষাধিক টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন হাইওয়ে পুলিশ শিমরাইল ক্যাম্পের ইনচার্জ টিআই একেএম শরফুদ্দিন৷ মহাসড়কে নিষিদ্ধ পরিবহন চলাচল বন্ধে হাইওয়ে পুলিশ কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন বলে জানান হাইওয়ে পুলিশের শিমরাইল ক্যাম্পের ইনচার্জ টিআই প্রশাসন একে এম শরফুদ্দিন। হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যাটারী চালিত সকল প্রকার তিন চাকার বাহন চলাচল বন্ধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ। গত সেপ্টেম্বর মাসের ১ তারিখ থেকে অক্টোবর মাসের ১১ তারিখ পর্যন্ত শিমরাইল ও সাইনবোর্ড এলাকায় মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে চলাচলের অপরাধে ৪৬০ টি থ্রি-হুইলার ও সড়ক পরিবহন আইন অমান্য করায় ১১১ টি ট্রাক,বাস ও অন্যান্য পরিবহনকে মামলা এবং জরিমানা করা হয়েছে মোট সাড়ে ১২ লক্ষাধিক টাকা। আদায়কৃত অর্থ সরকারি কোষাগারে জামা দেওয়া হয়েছে। মহাসড়কে ব্যাটারী চালিত বাহন চলাচলের বিষয়ে একপ্রশ্নের জাবাবে টিআই শরফুদ্দিন বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড ও শিমরাইল মোড় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। তাই বিভিন্ন স্থান নিয়ে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে চালকরা মহাসড়কে ব্যাটারী চালিত তিনচাকার গাড়ি নিয়ে উঠে পড়েন। এসব পরিবহন গুলো যাতে মহাসড়কে উঠতে না পারে সেজন্য বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ নিয়োজিত থাকে সারাক্ষণ। মহাসড়কে এসব বাহন চলাচল পুলিশের নজরে পড়লেই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। লোকবল সংকটের কারণে সবসময় নজর রাখা সম্ভব হচ্ছেনা। এ সুযোগে মাঝে মাঝে কিছু থ্রি-হুইলার মহাসড়কে উঠে পড়ে। কোনভাবেই যেন মহাসড়কে তিন চাকার অবৈধ বাহন চলতে না পারে সেজন্য হাইওয়ে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া শিমরাইল থেকে কাঁচপুরে চলাচলকৃত ইজিবাইক গত মঙ্গলবার থেকে শতভাগ বন্ধ করা হয়েছে বলে টিআই একেএম শরফুদ্দিন জানিয়েছেন৷